বুধবার
ফেব্রুয়ারী ৪ ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
সার্চ
Toggle navigation
হোম
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
রাজনীতি
করোনাভাইরাস
রাজধানী
ক্যাম্পাস
আইন-আদালত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
ভিডিও
বিনোদন
লাইফস্টাইল
প্রবাস
খেলাধুলা
বিভাগ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
বরিশাল
খুলনা
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
Latest News
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন। জেলা নিয়োগে অনিয়ম দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩: ৪৯ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ফাইল ছবি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন।এর আগে গত রোববার এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আট কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। সব মিলিয়ে কয়েক ধাপে মোট ২০ কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে ১০ জন জামিনে আছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় প্রার্থীদের বয়স ও যোগ্যতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। এ মামলার প্রধান আসামি তৎকালীন উপাচার্য। বর্তমানে তিনি পলাতক। দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৮–এর ১২-এর ১০ উপধারা অনুযায়ী উপাচার্য কোনো শূন্য পদে অ্যাডহক নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে অনধিক ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে হয় চাকরি নিয়মিত করতে হবে অথবা অব্যাহতি দিতে হবে। কোনোভাবেই আবার অ্যাডহকে নিয়োগ বা মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না। তবে তৎকালীন উপাচার্য আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অ্যাডহক নিয়োগ দেন এবং অবৈধভাবে মেয়াদ বাড়ান। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তাঁকে ওই কাজে সহযোগিতা করেন। ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৩৯ জন। এর মধ্যে ইউজিসি অনুমোদিত পদ আছে ১১২টি। এসব অনুমোদিত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯৮ জনকে। তাঁদের বেতন-ভাতা ইউজিসি থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত ১৪১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও ইউজিসির অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বেতন-ভাতা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে প্রাপ্ত। এসব অতিরিক্ত নিয়োগের ব্যাপারে ইউজিসি কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ‘শুরুতেই নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ইউজিসির অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত ১০৯ জনের নিয়োগ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।
পটিয়ায় পৌরসভার দুই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ ও তদন্তের দাবি
চট্টগ্রাম পটিয়া ডেভিলহান্ট ফেজ-২ অভিযানে যুবলীগ কর্মী নুরুল হুদা আটক
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ (বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬) রাতেই সিলেটে পৌঁছেছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তার সিলেটে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে।আগামীকাল বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি (২২ জানুয়ারি ২০২৬): সকাল ১০:০০ টা: গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অরাজনৈতিক কিছু তরুণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সকাল ১১:০০ টা: নগরের চৌহাট্টা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। দুপুর ও বিকেল: সিলেট থেকে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। পথে তিনি মৌলভীবাজারের শেরপুর, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ (ভৈরব) এবং নরসিংদীতে সংক্ষিপ্ত নির্বাচনী পথসভা ও জনসভায় অংশ নিতে পারেন। যেসব বিষয়ে আলোচনা হতে পারে: তারেক রহমান মূলত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে সিলেটে এসেছেন। তার বক্তব্যে মূলত এই বিষয়গুলো প্রাধান্য পেতে পারে: ১. নির্বাচনী অঙ্গীকার: দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং সুশাসনের রোডম্যাপ তুলে ধরা। ২. প্রার্থী পরিচিতি: সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আসনে বিএনপি ও জোট মনোনীত প্রার্থীদের জনগণের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। ৩. উন্নয়ন পরিকল্পনা: সিলেটের আঞ্চলিক উন্নয়ন, বিশেষ করে অবকাঠামো ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি। একটি বিশেষ তথ্য: তারেক রহমান আজ রাতে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন এবং দক্ষিণ সুরমার বিরাইমপুর গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে (ডা. জোবায়দা রহমানের পৈতৃক নিবাস) সময় কাটিয়েছেন।
সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জনবল নিয়োগে 'সাউদিয়া সিকিউরিটি সার্ভিসেস' নামক আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়টি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ আলোচিত। আপনার জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: ১. বেতন থেকে অবৈধভাবে টাকা কর্তন আউটসোর্সিং কর্মীদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো তাদের প্রাপ্য বেতন থেকে বড় একটি অংশ কোম্পানি কেটে নেয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মীদের যে বেতন দেওয়ার কথা, কোম্পানিটি তার চেয়ে অনেক কম টাকা কর্মীদের হাতে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে চেক বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পুরো টাকা দেখালেও পরবর্তীতে কর্মীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ফেরত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ২. নিয়োগ বাণিজ্য ও ঘুষ গ্রহণ সাউদিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে, তারা ক্লিনার, আয়া বা ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ দেওয়ার সময় মাথাপিছু বড় অংকের টাকা (১ থেকে ৩ লাখ পর্যন্ত) ঘুষ গ্রহণ করে। সাধারণ ও দরিদ্র মানুষ সরকারি কাজের আশায় এই টাকা দিয়ে প্রতারিত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। ৩. কর্মীদের অধিকার লঙ্ঘন ও হয়রানি ছুটি না দেওয়া: আউটসোর্সিং কর্মীদের সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটি ঠিকমতো দেওয়া হয় না। ছাঁটাইয়ের ভয়: কোনো কর্মী দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের প্রতিবাদ করলে তাকে তাৎক্ষণিক কাজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরিচয়পত্র ও চুক্তিপত্র: অনেক কর্মীকে নিয়োগের কোনো বৈধ চুক্তিপত্র বা যথাযথ পরিচয়পত্র প্রদান করা হয় না, যাতে তারা আইনি প্রতিকার না পেতে পারে। ৪. ভুয়া কর্মী দেখিয়ে বিল উত্তোলন অভিযোগ রয়েছে যে, হাসপাতালে কর্মরত কর্মীর সংখ্যার চেয়ে কাগজে-কলমে বেশি কর্মী দেখিয়ে সাউদিয়া কোম্পানি সরকারের কাছ থেকে ভুয়া বিল উত্তোলন করে। হাসপাতালের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ আছে। সাম্প্রতিক অবস্থা ও ব্যবস্থা এই অনিয়মগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং নার্সদের সাথেও আউটসোর্সিং কর্মীদের দ্বন্দ্ব হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব বিষয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে। মাঝেমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সিন্ডিকেটের প্রভাবে অনেক সময় মূল হোতারা অধরাই থেকে যায়। তদন্ত কমিটি গঠন ও অনিয়মের প্রমাণ হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি হাসপাতাল প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে: ভুয়া মাস্টাররোল: প্রায়ই ১০০-১৫০ জন কর্মীর ভুয়া হাজিরা দেখিয়ে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হতো। ব্যাংক কার্ড জালিয়াতি: কর্মীদের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও চেকবই এবং এটিএম কার্ড থাকতো সাউদিয়া কোম্পানির কর্মকর্তাদের কাছে। তারা নিজেরাই টাকা তুলে কর্মীদের হাতে সামান্য কিছু ধরিয়ে দিত। ২. সাউদিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং কর্মীদের বেতন আত্মসাতের কারণে সাউদিয়া সিকিউরিটি সার্ভিসেসের কার্যাদেশ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সিলেটের সিভিল সার্জন এবং হাসপাতাল পরিচালক ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কোম্পানির বিরুদ্ধে লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন। কোম্পানিটির মালিকপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে। ৩. কর্মীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওসমানী মেডিকেলের আউটসোর্সিং কর্মীরা কয়েক দফায় হাসপাতালের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। তাদের মূল দাবি ছিল: সাউদিয়া কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা। বকেয়া বেতন সরাসরি কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করা। নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেট সদস্যদের অপসারণ। ৪. সিন্ডিকেট সদস্যদের পরিচয় প্রকাশ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এই অনিয়মের সাথে হাসপাতালের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং কর্মচারী ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতারা সরাসরি জড়িত ছিলেন। যারা সাউদিয়া কোম্পানির কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে মোটা অংকের কমিশন নিতেন। বর্তমান প্রশাসন এই চক্রটিকে ভাঙার চেষ্টা করছে। বর্তমান অবস্থা বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতুন করে জনবল নিয়োগের জন্য স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অবলম্বনের চেষ্টা করছে। সাউদিয়া কোম্পানির প্রভাব কমানোর জন্য সরাসরি সরকারি তদারকিতে বেতন দেওয়ার দাবিটি জোরালোভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী অনুযায়ী তার দায়িত্ব গ্রহণের সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: আনুষ্ঠানিক নিযুক্তি: ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। কেন এই পরিবর্তন: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পদটি শূন্য হওয়ায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। পূর্বতন পদবি: ২০১৮ সাল থেকে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর আগে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। বর্তমান অবস্থান: তিনি বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু খবর প্রকাশিত হয়েছে: শারীরিক অবস্থা: গত কয়েকদিন ধরে ওবায়দুল কাদের গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেখানে তাকে ভেন্টিলেশনে (লাইফ সাপোর্ট) রাখা হয়েছিল। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতা এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমান অবস্থান: সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে কলকাতার নিউ টাউনের বাসায় ফিরেছেন। চিকিৎসকরা তাকে বাসায় অক্সিজেন সাপোর্ট ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে। বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদুল হাসান মৃত্যুবরণ করেছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো: গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি: পেশাগত জীবন: তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক ক্যারিয়ার: তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সরকারের মন্ত্রিসভায় অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন। মন্ত্রণালয়: তিনি বিভিন্ন সময়ে স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ সদস্য: তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
চট্টগ্রামে বাঁশখালীর ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে,
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তার মৃত্যু সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: মৃত্যুর সময় ও স্থান: তিনি মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের ঠিক পরপরই এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউ-তে (কোয়ারেন্টাইন কেয়ার ইউনিট) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শারীরিক অবস্থা: তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস এবং কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিচ্ছিলেন। পারিবারিক উপস্থিতি: মৃত্যুর সময় হাসপাতালে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমান সম্প্রতি লন্ডন থেকে দেশে ফিরে নিয়মিত মায়ের পাশে অবস্থান করছিলেন। রাজনৈতিক জীবন: ১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মোট তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সংসদীয় নির্বাচনে কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি।
Home
ভিডিও
ভিডিও