পটিয়া পৌরসভার দুইটি নামকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শশাঙ্ক-মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও (মোহছেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের)
শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে অনিয়ম ও ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেনী পযন্ত ভর্তি করাতে অভিভাবকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।একজন ভুক্তভোগী অভিভাবক এর দাবি, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা ছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে না স্কুলগুলাতে এতে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
সরকারি স্কুলে ভর্তি ফ্রি থাকার কথা,অথচ টাকা ছাড়া ভর্তি হবে না এমন কথা আমাদের বলা হয়েছে। বাধ্য হয়েই অনেকেই টাকা দিচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। এতে করে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শশাঙ্ক মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলুয়ারা বেগম বলেন সরকারি বরাদ্দ না পাওয়ার জন্য স্কুলের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে কষ্ট হয়,অফিসের পিয়নের বেতন বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়,সেজন্য অবিভাবকদের বলে আমরা স্কুলের স্টাফদের বেতনের জন্য টাকাটা নিচ্ছি, কারও কাছ থেকে জোর করে নেওয়া হচ্ছে না,তিনি আরো বলেন ভর্তি কার্যক্রম সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই পরিচালিত করছি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করলে সেটা সত্য নয় বলে জানান।
মোহছেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাঁদ সোলতানা ও একই কথা বলেন,তিনি বলেন টাকা নেওয়ার বিষয়ে যদি অবিভাবকদের আপত্তি থাকে, তাহলে আর নেওয়া হবে না।
পটিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন,
“ভর্তি সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তা,