- হোম
- দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বশেষ আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. সরকারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি সর্বোচ্চ সতর্কতা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তা বলয়: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত যাতায়াতের পথে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। পুলিশের পাশাপাশি ডিএমপির সোয়াত (SWAT) টিমের সদস্যরা মাঠে থাকবেন। গোয়েন্দা নজরদারি: ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্তসংখ্যক গোয়েন্দা পুলিশ (DB) মোতায়েন থাকবে। বিমানবন্দরে কড়াকড়ি: নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে যাত্রী ছাড়া দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২. বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF): সরকারি নিরাপত্তার পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা দল সিএসএফ তারেক রহমানের সুরক্ষায় কাজ করবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম এই সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। শৃঙ্খলার নির্দেশনা: দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে থাকার এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৩. গন্তব্য ও কর্মসূচি তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত জনসভায় যোগ দিতে পারেন এবং সেখানে ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। এরপর তিনি তাঁর মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে বা গুলশানের বাসভবন 'ফিরোজা'য় যাবেন। সংক্ষেপে, প্রশাসন ও পুলিশ তাঁর নিরাপত্তাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বিমানবন্দর থেকে তাঁর অবস্থান পর্যন্ত কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ছক তৈরি করা হয়েছে। সম্ভাব্য সময়সূচি ও কর্মসূচি আগমন: লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সংবর্ধনা: বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে বিশাল সংবর্ধনা জানাবেন। প্রধান সমাবেশ (পূর্বাচল): বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত একটি বিশাল গণসমাবেশে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে প্রথম রাজনৈতিক ভাষণ দেবেন। পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ: সমাবেশ শেষে তিনি গুলশানের বাসভবন 'ফিরোজা'-তে যাবেন। সেখানে তিনি তাঁর মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করবেন এবং তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেবেন। প্রশাসনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, তাঁর নিরাপত্তায় যেসব বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: রুফটপ পাহার: বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এবং গুলশান পর্যন্ত রাস্তার পাশের ভবনগুলোর ছাদে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভি মনিটরিং: পুরো যাত্রাপথ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং একটি অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। ট্রাফিক ডাইভারশন: কাল রাজধানীতে ব্যাপক ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কিছু রাস্তায় যানচলাচল সীমিত বা ডাইভারশন করার পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর সড়ক ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় বাড়তি চাপ থাকতে পারে। নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে: বিমানবন্দরের ভেতরে কোনো নেতাকর্মী প্রবেশ করবেন না। শোভাযাত্রার সময় যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। শৃঙ্খলার জন্য কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী (ভলান্টিয়ার) নিয়োগ করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বশেষ আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. সরকারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি সর্বোচ্চ সতর্কতা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তা বলয়: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত যাতায়াতের পথে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। পুলিশের পাশাপাশি ডিএমপির সোয়াত (SWAT) টিমের সদস্যরা মাঠে থাকবেন। গোয়েন্দা নজরদারি: ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্তসংখ্যক গোয়েন্দা পুলিশ (DB) মোতায়েন থাকবে। বিমানবন্দরে কড়াকড়ি: নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে যাত্রী ছাড়া দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২. বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF): সরকারি নিরাপত্তার পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা দল সিএসএফ তারেক রহমানের সুরক্ষায় কাজ করবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম এই সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। শৃঙ্খলার নির্দেশনা: দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে থাকার এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৩. গন্তব্য ও কর্মসূচি তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত জনসভায় যোগ দিতে পারেন এবং সেখানে ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। এরপর তিনি তাঁর মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে বা গুলশানের বাসভবন 'ফিরোজা'য় যাবেন। সংক্ষেপে, প্রশাসন ও পুলিশ তাঁর নিরাপত্তাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বিমানবন্দর থেকে তাঁর অবস্থান পর্যন্ত কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ছক তৈরি করা হয়েছে। সম্ভাব্য সময়সূচি ও কর্মসূচি আগমন: লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সংবর্ধনা: বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে বিশাল সংবর্ধনা জানাবেন। প্রধান সমাবেশ (পূর্বাচল): বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত একটি বিশাল গণসমাবেশে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে প্রথম রাজনৈতিক ভাষণ দেবেন। পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ: সমাবেশ শেষে তিনি গুলশানের বাসভবন 'ফিরোজা'-তে যাবেন। সেখানে তিনি তাঁর মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করবেন এবং তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেবেন। প্রশাসনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, তাঁর নিরাপত্তায় যেসব বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: রুফটপ পাহার: বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এবং গুলশান পর্যন্ত রাস্তার পাশের ভবনগুলোর ছাদে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভি মনিটরিং: পুরো যাত্রাপথ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং একটি অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। ট্রাফিক ডাইভারশন: কাল রাজধানীতে ব্যাপক ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কিছু রাস্তায় যানচলাচল সীমিত বা ডাইভারশন করার পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর সড়ক ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় বাড়তি চাপ থাকতে পারে। নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে: বিমানবন্দরের ভেতরে কোনো নেতাকর্মী প্রবেশ করবেন না। শোভাযাত্রার সময় যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। শৃঙ্খলার জন্য কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী (ভলান্টিয়ার) নিয়োগ করা হয়েছে।
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন
-
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন। জেলা নিয়োগে অনিয়ম দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩: ৪৯ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ফাইল ছবি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন।এর আগে গত রোববার এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আট কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। সব মিলিয়ে কয়েক ধাপে মোট ২০ কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে ১০ জন জামিনে আছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় প্রার্থীদের বয়স ও যোগ্যতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। এ মামলার প্রধান আসামি তৎকালীন উপাচার্য। বর্তমানে তিনি পলাতক। দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৮–এর ১২-এর ১০ উপধারা অনুযায়ী উপাচার্য কোনো শূন্য পদে অ্যাডহক নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে অনধিক ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে হয় চাকরি নিয়মিত করতে হবে অথবা অব্যাহতি দিতে হবে। কোনোভাবেই আবার অ্যাডহকে নিয়োগ বা মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না। তবে তৎকালীন উপাচার্য আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অ্যাডহক নিয়োগ দেন এবং অবৈধভাবে মেয়াদ বাড়ান। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তাঁকে ওই কাজে সহযোগিতা করেন। ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৩৯ জন। এর মধ্যে ইউজিসি অনুমোদিত পদ আছে ১১২টি। এসব অনুমোদিত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯৮ জনকে। তাঁদের বেতন-ভাতা ইউজিসি থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত ১৪১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও ইউজিসির অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বেতন-ভাতা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে প্রাপ্ত। এসব অতিরিক্ত নিয়োগের ব্যাপারে ইউজিসি কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ‘শুরুতেই নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ইউজিসির অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত ১০৯ জনের নিয়োগ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।
-
-
-
-
-
-
-