গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের সময় পুলিশি অ্যাকশন ছিল বেশ জোরালো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল (কাঁদুনে গ্যাস), সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে। নিচে পুলিশের ওই অ্যাকশনের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার সময় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। আন্দোলনকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ২. জলকামানের ব্যবহার টিয়ারশেলের পাশাপাশি পুলিশ জলকামান দিয়ে গরম পানি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেক আন্দোলনকারীকে জলকামানের গাড়ির ওপরে উঠে প্রতিবাদ জানাতেও দেখা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (যমুনা) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ৩. সংঘর্ষ ও হতাহত পুলিশের এই অ্যাকশনের সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আহত: পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে অন্তত ১৫ থেকে ৪০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটক: ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের সময় পুলিশি অ্যাকশন ছিল বেশ জোরালো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল (কাঁদুনে গ্যাস), সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে। নিচে পুলিশের ওই অ্যাকশনের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার সময় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। আন্দোলনকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ২. জলকামানের ব্যবহার টিয়ারশেলের পাশাপাশি পুলিশ জলকামান দিয়ে গরম পানি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেক আন্দোলনকারীকে জলকামানের গাড়ির ওপরে উঠে প্রতিবাদ জানাতেও দেখা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (যমুনা) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ৩. সংঘর্ষ ও হতাহত পুলিশের এই অ্যাকশনের সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আহত: পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে অন্তত ১৫ থেকে ৪০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটক: ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
MD SAD MIAH
Updated26-Feb-07 / | সিলেট সদর (সিলেট) উপজেলা প্রতিনিধি Read : 2