- হোম
- আজ সিলেটে কোর্ট পয়েন্ট বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দলের এক জনসভা আলোচনা গণভোটের রায় অমান্য করে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে বিএনপি সরকার জনগণের ক্ষমতা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হোন প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আপনারা জানেন, ৭ জানুয়ারি ২০২৪-এর নির্বাচনে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ এবং সরকার গঠনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১১ দফা ও ৯ দফা শপথ নিয়ে বিএনপি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনগণের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ মার্চ ২০২৪ সংসদে লোকদেখানো সংবিধান সংশোধনসহ নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকে জনগণের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। বিএনপি সরকারের কোন কোন কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় এবং কেন? ১. গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা: জনগণের ক্ষমতা ও অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ২. আইন ও বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার: বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। ৩. দুর্নীতির প্রসার: দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ৪. বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ: বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। ৫. পুলিশ বাহিনীর অপব্যবহার: পুলিশকে জনগণের সেবক না বানিয়ে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৬. অর্থনৈতিক খাতে অস্থিরতা: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করা হয়েছে। ৭. সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নষ্ট: নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করে গণতন্ত্রকে দুর্বল করা হচ্ছে। ৮. সর্বাত্মক দমন-পীড়ন: বিরোধী মত দমন করে একটি অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় এগিয়ে আসি।
আজ সিলেটে কোর্ট পয়েন্ট বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দলের এক জনসভা আলোচনা গণভোটের রায় অমান্য করে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে বিএনপি সরকার জনগণের ক্ষমতা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হোন প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আপনারা জানেন, ৭ জানুয়ারি ২০২৪-এর নির্বাচনে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ এবং সরকার গঠনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১১ দফা ও ৯ দফা শপথ নিয়ে বিএনপি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনগণের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ মার্চ ২০২৪ সংসদে লোকদেখানো সংবিধান সংশোধনসহ নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকে জনগণের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। বিএনপি সরকারের কোন কোন কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় এবং কেন? ১. গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা: জনগণের ক্ষমতা ও অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ২. আইন ও বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার: বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। ৩. দুর্নীতির প্রসার: দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ৪. বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ: বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। ৫. পুলিশ বাহিনীর অপব্যবহার: পুলিশকে জনগণের সেবক না বানিয়ে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৬. অর্থনৈতিক খাতে অস্থিরতা: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করা হয়েছে। ৭. সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নষ্ট: নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করে গণতন্ত্রকে দুর্বল করা হচ্ছে। ৮. সর্বাত্মক দমন-পীড়ন: বিরোধী মত দমন করে একটি অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় এগিয়ে আসি।
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন