রবিবার   ফেব্রুয়ারী ৮ ২০২৬   ২৬  মাঘ  ১৪৩২


শিক্ষক মাসুকা বেগমের মতো আয়া মাসুমা বেগমও সেদিন মাইলস্টোন এর শিশুদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। শেষে ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে হসপিটালে ভর্তি হয়েছিলেন। ৫ দিন পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু অন্যদের মতো তার আত্মদানের কথা ভাইরাল হয়নি! কিন্তু কেন? মাসুমা বেগম গরীব বলে? সামান্য আয়ার চাকরি করেন বলে? মাসুমার স্বামী পোশাক কারখানায় ড্রাইভারের চাকরি করেন। একছেলে এক মেয়ে তাদের। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। স্বামীর উপার্জনে সংসার চালানো দায়। এজন্য মাসুমা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে আয়ার চাকরি করতেন। মাসুমা চির বিদায় নিয়েছেন! এখন ড্রাইভার বাবার উপার্জনে ছেলের লেখাপড়ার খরচ চলবে কিভাবে? মাসুমা বেগম মৃত্যুর আগে নার্সদের মাধ্যমে গায়ের গয়না খুলে দিয়ে স্বামীকে বলে গেছেন- 'যে কোনো অবস্থায় ছেলের লেখাপড়া যেনো বন্ধ হয়ে না যায়।' এই মহান আয়াকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মহান আল্লাহ যেনো তাকে বেহেস্ত নসীব করেন এবং তার নাবালক ছেলেকে হেফাজত করেন। ছাদ মিয়া সিলেট রিপোর্টার নিরালা টিভি

MD SAD MIAH

Updated 25-Aug-09 /   |   সিলেট সদর (সিলেট) উপজেলা প্রতিনিধি   Read : 133